ইরানের ওপর হামলা অব্যাহত রাখলে ইসরায়েলকে একাই লড়তে হবে- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন কঠোর বার্তার পর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ। তবে কি সত্যিই এবার ওয়াশিংটনের নজিরবিহীন চাপের মুখে পড়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু?
এক সময় এই দুই নেতার রসায়নকে মনে করা হতো আন্তর্জাতিক রাজনীতির সবচেয়ে নিরেট বন্ধন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তেল আবিবের সব চাওয়া যেন নিমিষেই রূপ পেয়েছিল বাস্তবতায়। তবে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুকে কেন্দ্র করে দ্রুতই পাল্টে যাচ্ছে পরিস্থিতি। হোয়াইট হাউজের নিঃশর্ত সমর্থনে এবার স্পষ্ট ফাটল।
সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মারাত্মক পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শিগগিরই যুদ্ধ বন্ধ না করলে কিংবা সাবধান না হলে— ইসরায়েলকে লড়তে হবে একাই।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এতদিন বাইডেন প্রশাসনের কূটনৈতিক ও সামরিক ঢালকে ব্যবহার করে একের পর এক ফ্রন্টে যুদ্ধ টেনে নিয়ে গেছেন নেতানিয়াহু। কিন্তু ট্রাম্পের নীতি পরিষ্কার-মার্কিন অর্থে সেনাদের দীর্ঘমেয়াদী কোনো যুদ্ধে জড়াতে দিতে নারাজ তিনি। ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান নেতানিয়াহুকে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় কৌশলগত চাপের মুখে ফেলেছে।
অথচ ইরানের ওপর হামলায় ট্রাম্পকে পাশে পাওয়া ছিল নেতানিয়াহুর কর্মজীবনের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক বিজয়। তবে সেই হিসাব এখন মিলছে না। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলকে একপাশে রেখেই তেহরানের সাথে শান্তি চুক্তির পথে হাঁটছে ওয়াশিংটন।
অন্যদিকে, লেবানন ও হিজবুল্লাহ ফ্রন্টেও ইসরায়েলের হাত অনেকটাই বেঁধে দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শর্ত।
চাপটা শুধু হোয়াইট হাউজের নয়, ঘরোয়া রাজনীতিতেও কোণঠাসা নেতানিয়াহু। একদিকে জিম্মি মুক্তিতে ব্যর্থতা, অন্যদিকে যুদ্ধকালীন অর্থনীতির ক্রমাগত ধস। ইসরায়েলের ভেতরেই এখন তীব্র হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি। তার ওপর ট্রাম্পের এই একলা চলো নীতি নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ইমেজকে দাঁড় করিয়েছে খাদের কিনারায়।
ট্রাম্পের এই নজিরবিহীন চাপের মুখে সত্যিই কি পিছু হটবেন নেতানিয়াহু? নাকি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই বেছে নেবেন আরও আগ্রাসী ভূমিকা?
রিপোর্ট : সা. সি/মা. হা
এক সময় এই দুই নেতার রসায়নকে মনে করা হতো আন্তর্জাতিক রাজনীতির সবচেয়ে নিরেট বন্ধন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তেল আবিবের সব চাওয়া যেন নিমিষেই রূপ পেয়েছিল বাস্তবতায়। তবে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুকে কেন্দ্র করে দ্রুতই পাল্টে যাচ্ছে পরিস্থিতি। হোয়াইট হাউজের নিঃশর্ত সমর্থনে এবার স্পষ্ট ফাটল।
সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মারাত্মক পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শিগগিরই যুদ্ধ বন্ধ না করলে কিংবা সাবধান না হলে— ইসরায়েলকে লড়তে হবে একাই।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এতদিন বাইডেন প্রশাসনের কূটনৈতিক ও সামরিক ঢালকে ব্যবহার করে একের পর এক ফ্রন্টে যুদ্ধ টেনে নিয়ে গেছেন নেতানিয়াহু। কিন্তু ট্রাম্পের নীতি পরিষ্কার-মার্কিন অর্থে সেনাদের দীর্ঘমেয়াদী কোনো যুদ্ধে জড়াতে দিতে নারাজ তিনি। ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান নেতানিয়াহুকে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় কৌশলগত চাপের মুখে ফেলেছে।
অথচ ইরানের ওপর হামলায় ট্রাম্পকে পাশে পাওয়া ছিল নেতানিয়াহুর কর্মজীবনের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক বিজয়। তবে সেই হিসাব এখন মিলছে না। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলকে একপাশে রেখেই তেহরানের সাথে শান্তি চুক্তির পথে হাঁটছে ওয়াশিংটন।
অন্যদিকে, লেবানন ও হিজবুল্লাহ ফ্রন্টেও ইসরায়েলের হাত অনেকটাই বেঁধে দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শর্ত।
চাপটা শুধু হোয়াইট হাউজের নয়, ঘরোয়া রাজনীতিতেও কোণঠাসা নেতানিয়াহু। একদিকে জিম্মি মুক্তিতে ব্যর্থতা, অন্যদিকে যুদ্ধকালীন অর্থনীতির ক্রমাগত ধস। ইসরায়েলের ভেতরেই এখন তীব্র হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি। তার ওপর ট্রাম্পের এই একলা চলো নীতি নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ইমেজকে দাঁড় করিয়েছে খাদের কিনারায়।
ট্রাম্পের এই নজিরবিহীন চাপের মুখে সত্যিই কি পিছু হটবেন নেতানিয়াহু? নাকি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই বেছে নেবেন আরও আগ্রাসী ভূমিকা?
রিপোর্ট : সা. সি/মা. হা
