ছাগলের সজনে পাতা খাওয়া নিয়ে বিরোধ, ঈশ্বরদীতে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা
পাবনার ঈশ্বরদীতে ছাগলের সজনে গাছের পাতা খাওয়াকে কেন্দ্র করে মাহাবুল হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের সাহাপুর পূর্বপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নিহত মাহাবুল হোসেন ওই এলাকার মৃত আজিজুল প্রামাণিকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মাহাবুল হোসেনের একটি ছাগল প্রতিবেশী বাশার মুন্সি ও তার বড় ভাই তসলিম মুন্সির সজনে গাছের পাতা খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে বাশার ও তসলিম মুন্সি গাছের ডাল দিয়ে তৈরি লাঠি দিয়ে মাহাবুল হোসেনের মাথা, ঘাড় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হলে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাশার মুন্সিকে আটক করা হয়েছে এবং অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শনিবার (২৩ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের সাহাপুর পূর্বপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নিহত মাহাবুল হোসেন ওই এলাকার মৃত আজিজুল প্রামাণিকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মাহাবুল হোসেনের একটি ছাগল প্রতিবেশী বাশার মুন্সি ও তার বড় ভাই তসলিম মুন্সির সজনে গাছের পাতা খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে বাশার ও তসলিম মুন্সি গাছের ডাল দিয়ে তৈরি লাঠি দিয়ে মাহাবুল হোসেনের মাথা, ঘাড় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হলে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাশার মুন্সিকে আটক করা হয়েছে এবং অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
