সেন্টমার্টিন-টেকনাফ রুটে স্পিডবোট উল্টে মা-মেয়ের মৃত্যু
সাগরপথে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফের শাহ পরীর দ্বীপ যাওয়ার সময় যাত্রীবাহী স্পিডবোট উল্টে মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৮ জন।
আজ সোমবার দুপুরে সেন্টমার্টিনের উত্তরে ঘোলারচরের কাছাকাছি এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, সকাল ১০টার দিকে, সেন্টমার্টিন থেকে দুটি স্পিডবোট যাত্রী নিয়ে টেকনাফের উদ্দেশে রওনা হয়। বোট দুটি বঙ্গোপসাগরের ঘোলারচর পৌঁছালে হঠাৎ ঢেউয়ের আঘাতে একটি স্পিডবোট ডুবে যায়। পরে অন্য স্পিডবোটটি সাগর থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ নিয়ে যায়। টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মা মরিয়ম আক্তার ও তার শিশুকন্যা মাহিমা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতারা সেন্টমার্টিন দ্বীপের পূর্বপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ডুবে যাওয়া স্পিডবোটিতে ১০ জন যাত্রী ছিল। অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ার কারণে এমন দুর্ঘটনা বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/টুবন
আজ সোমবার দুপুরে সেন্টমার্টিনের উত্তরে ঘোলারচরের কাছাকাছি এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, সকাল ১০টার দিকে, সেন্টমার্টিন থেকে দুটি স্পিডবোট যাত্রী নিয়ে টেকনাফের উদ্দেশে রওনা হয়। বোট দুটি বঙ্গোপসাগরের ঘোলারচর পৌঁছালে হঠাৎ ঢেউয়ের আঘাতে একটি স্পিডবোট ডুবে যায়। পরে অন্য স্পিডবোটটি সাগর থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ নিয়ে যায়। টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মা মরিয়ম আক্তার ও তার শিশুকন্যা মাহিমা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতারা সেন্টমার্টিন দ্বীপের পূর্বপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ডুবে যাওয়া স্পিডবোটিতে ১০ জন যাত্রী ছিল। অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ার কারণে এমন দুর্ঘটনা বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/টুবন
