আজ এক ডিসেম্বর শুরু হলো বিজয়ের মাস। যে বিজয়ে মিশে আছে ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা আর দুই লাখ নারীর সম্ভ্রমহানীর নিদারুণ যাতনা আর ভীষণ কষ্ট। তবুও ডিসেম্বর মনে করিয়ে দেয় অকুতোভয় বাঙালির এক মরণপণ যুদ্ধকে; যা এনে দিয়েছিল বাংলার স্বাধীনতা আর মুক্তির স্বাদ। যা এনে দিয়েছিল লাল সবুজের পতাকা আর ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কিলোমিটারের সার্বভৌমত্ব।
১৯৭১ এর ২৫ মার্চ যখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নির্মম হত্যাযজ্ঞ শুরু করে ঢাকা শহরে, তখনও পুরো বিশ্ব কল্পনা করতে পারেনি, নিরস্ত্র বাংলাদেশিরা এগিয়ে যাচ্ছে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে। লাশের স্তূপের মধ্যে বাংলার আপামর জনতার ঘুরে দাঁড়ানো, লড়াই করে মাতৃভূমি প্রতিষ্ঠা পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল বিস্ময় আর দৃষ্টান্ত!
৯ মাসের যুদ্ধের শুরুটা ২৫ মার্চের প্রথম প্রহরেই ইপিআর আর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে। এরপর কাতারে কাতারে শরনার্থীর ঢল সীমানা পাড়ি দিয়ে আশ্রয় নেয় প্রতিবেশি দেশে। সেখানে সাধারণ জনতার মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ট্রেনিং, আর দেশের ভেতরে ১১ সেক্টরে সম্মুখ যুদ্ধে বিজয়ী হয় পৃথিবীর সে সময়ে অন্যতম সেরা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধে যোগ দেয় ভারত। গঠিত হয় যৌথ বাহিনী। যে যৌথ বাহিনীর কাছেই ডিসেম্বরের শেষ ১৫ টা দিনে চূড়ান্ত পরাজিত হয় পাকিস্তানি হানাদাররা। আর যুদ্ধ চলাকালেই ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ভূটান ও ভারত।
পরাজয় নিশ্চিত, টের পেয়ে আত্মসমর্পণের ঠিক আগে আগে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশর কৃতি সন্তানদের ধরে ধরে নিয়ে টার্গেট কিলিং করে পাকিস্তানি হানাদারবাহিনীর এই দেশীয় দোসররা। নির্মম বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল বিজয়ের আগে বাংলাদেশিদের ওপর পাকিস্তানপন্থীদের শেষ আঘাত।
সব আঘাত সহ্য করে, নিজের মাতৃভূমি যুদ্ধ করে প্রতিষ্ঠার বিরল সৌভাগ্য হয় বাংলাদেশের। ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে যৌথ বাহিনীর কাছে যুদ্ধে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের সহযোগী এ দেশীয় বিভিন্ন আধা সামরিক ও অসামরিক বাহিনী। এভাবেই তীব্র আর্তনাদ আর লক্ষ শহীদের জীবনের বিনিমিয়ে পৃথিবীর বুকে নতুন এক দেশ বাংলাদেশের জন্ম হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/টুবন
১৯৭১ এর ২৫ মার্চ যখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নির্মম হত্যাযজ্ঞ শুরু করে ঢাকা শহরে, তখনও পুরো বিশ্ব কল্পনা করতে পারেনি, নিরস্ত্র বাংলাদেশিরা এগিয়ে যাচ্ছে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে। লাশের স্তূপের মধ্যে বাংলার আপামর জনতার ঘুরে দাঁড়ানো, লড়াই করে মাতৃভূমি প্রতিষ্ঠা পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল বিস্ময় আর দৃষ্টান্ত!
৯ মাসের যুদ্ধের শুরুটা ২৫ মার্চের প্রথম প্রহরেই ইপিআর আর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে। এরপর কাতারে কাতারে শরনার্থীর ঢল সীমানা পাড়ি দিয়ে আশ্রয় নেয় প্রতিবেশি দেশে। সেখানে সাধারণ জনতার মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ট্রেনিং, আর দেশের ভেতরে ১১ সেক্টরে সম্মুখ যুদ্ধে বিজয়ী হয় পৃথিবীর সে সময়ে অন্যতম সেরা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধে যোগ দেয় ভারত। গঠিত হয় যৌথ বাহিনী। যে যৌথ বাহিনীর কাছেই ডিসেম্বরের শেষ ১৫ টা দিনে চূড়ান্ত পরাজিত হয় পাকিস্তানি হানাদাররা। আর যুদ্ধ চলাকালেই ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ভূটান ও ভারত।
পরাজয় নিশ্চিত, টের পেয়ে আত্মসমর্পণের ঠিক আগে আগে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশর কৃতি সন্তানদের ধরে ধরে নিয়ে টার্গেট কিলিং করে পাকিস্তানি হানাদারবাহিনীর এই দেশীয় দোসররা। নির্মম বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল বিজয়ের আগে বাংলাদেশিদের ওপর পাকিস্তানপন্থীদের শেষ আঘাত।
সব আঘাত সহ্য করে, নিজের মাতৃভূমি যুদ্ধ করে প্রতিষ্ঠার বিরল সৌভাগ্য হয় বাংলাদেশের। ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে যৌথ বাহিনীর কাছে যুদ্ধে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের সহযোগী এ দেশীয় বিভিন্ন আধা সামরিক ও অসামরিক বাহিনী। এভাবেই তীব্র আর্তনাদ আর লক্ষ শহীদের জীবনের বিনিমিয়ে পৃথিবীর বুকে নতুন এক দেশ বাংলাদেশের জন্ম হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/টুবন
