এই রবি মৌসুমে রাজশাহীর কৃষকদের মধ্যে সারের জন্য ব্যাপক হাহাকার। প্রয়োজন মতো সার না পাওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ ও হতাশ। সারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন কৃষকরা।
ভোর থেকে সারের আশায় ডিলারের গোডাউনের সামনে কৃষকদের এই অপেক্ষা। রাজশাহীর তানোর উপজেলার আমশো মেডিকেল মোড়ে কৃষকদের এই দীর্ঘ লাইন বলে দেয়, এই এলাকায় কতটা সারের সংকট! অপেক্ষা শেষে সার নিয়ে ঘরে ফিরতে পারবেন কি না, জানেন না অধিকাংশই কৃষকই। তাই তাদের মধ্যে এতো তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা।
কৃষকরা বলছেন, ডিএপি, টিএসপি ও পটাশ সারের ব্যাপক সংকট এই অঞ্চলে। প্রয়োজনের তুলনায় তারা সার পাচ্ছেন না। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম দিলে ঠিকই সার পাওয়া যাচ্ছে খোলাবাজারে।
নভেম্বর মাসে ১১ টন টিএসপি, ১১ টন পটাশ ও ৪.৮০ টন ডিএপি সার বরাদ্দ পেয়েছেন তানোরের আমশো মেডিকেল মোড়ের নাসির মোল্লা ডিলার। চাহিদার তুলনায় যা নিতান্তই কম।
রাজশাহীর মাঠজুড়ে চলছে আলু রোপনের প্রস্তুতি। কেউ জমিতে আলু লাগিয়েছেন, আবার কেউবা মাঠ প্রস্তুত করছেন। কিন্তু মুখে হাসি নেই কারো। গতবার আলু উৎপাদনের পর দাম না পেয়ে লোকসান গুনতে হয়েছে। এবার মরার ওপর খাড়ার ঘা সার সংকট।
তানোরের জিওল গ্রামের আজিজুল ইসলাম ৭ বিঘা জমিতে আলু চাষ করছেন। কিন্তু সার পেয়েছেন তিন বিঘা জমির। তাই বাধ্য হয়ে কালোবাজারিতে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে সার কিনতে হয়েছে তাকে।
তবে কৃষি অফিস থেকে দাবি করা হয়েছে, এই রবি মৌসুমে রাজশাহীতে কোনো সার সংকট নেই।
রিপোর্ট : ত/সা.সি
ভোর থেকে সারের আশায় ডিলারের গোডাউনের সামনে কৃষকদের এই অপেক্ষা। রাজশাহীর তানোর উপজেলার আমশো মেডিকেল মোড়ে কৃষকদের এই দীর্ঘ লাইন বলে দেয়, এই এলাকায় কতটা সারের সংকট! অপেক্ষা শেষে সার নিয়ে ঘরে ফিরতে পারবেন কি না, জানেন না অধিকাংশই কৃষকই। তাই তাদের মধ্যে এতো তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা।
কৃষকরা বলছেন, ডিএপি, টিএসপি ও পটাশ সারের ব্যাপক সংকট এই অঞ্চলে। প্রয়োজনের তুলনায় তারা সার পাচ্ছেন না। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম দিলে ঠিকই সার পাওয়া যাচ্ছে খোলাবাজারে।
নভেম্বর মাসে ১১ টন টিএসপি, ১১ টন পটাশ ও ৪.৮০ টন ডিএপি সার বরাদ্দ পেয়েছেন তানোরের আমশো মেডিকেল মোড়ের নাসির মোল্লা ডিলার। চাহিদার তুলনায় যা নিতান্তই কম।
রাজশাহীর মাঠজুড়ে চলছে আলু রোপনের প্রস্তুতি। কেউ জমিতে আলু লাগিয়েছেন, আবার কেউবা মাঠ প্রস্তুত করছেন। কিন্তু মুখে হাসি নেই কারো। গতবার আলু উৎপাদনের পর দাম না পেয়ে লোকসান গুনতে হয়েছে। এবার মরার ওপর খাড়ার ঘা সার সংকট।
তানোরের জিওল গ্রামের আজিজুল ইসলাম ৭ বিঘা জমিতে আলু চাষ করছেন। কিন্তু সার পেয়েছেন তিন বিঘা জমির। তাই বাধ্য হয়ে কালোবাজারিতে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে সার কিনতে হয়েছে তাকে।
তবে কৃষি অফিস থেকে দাবি করা হয়েছে, এই রবি মৌসুমে রাজশাহীতে কোনো সার সংকট নেই।
রিপোর্ট : ত/সা.সি
