আগুন নিভলেও অনিশ্চয়তা আর হাহাকার কাটেনি রাজধানীর মহাখালির কড়াইল বস্তির বাসিন্দাদের। প্রাণে বাঁচলেও নিঃস্ব বহু পরিবার। ধ্বংসস্তুপ থেকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ তাদের জন্যে।
কেবলই পোড়া গন্ধ, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা টিন-কাঠ আর ছাইয়ের স্তূপ যেন রাজধানী ঢাকার মহাখালির কড়াইল বস্তির একাংশ। দেখে বোঝারই উপায় নেই এখানে ক'দিন আগেও ছিলো বহু মানুষের বাস।
খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন মঙ্গলবারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। সেখানে এখন কেবলই দীর্ঘশ্বাস আর অসহায়ত্ব। কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে দেড় হাজার ঘরবাড়ি এবং দোকানপাট।
অগ্নি দুর্ঘটনার পর এভাবেই পরিবারের শিশু সদস্যসহ খোলা আকাশের নিচে দিনযাপন করছেন খলিলুর রহমান। জানালেন অগ্নিকাণ্ডে হারিয়েছেন জীবিকা নির্বাহের দোকান এবং বাসস্থানও।
সেখানকার বাসিন্দাদের তথ্য মতে, একটি ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মাধ্যমে সূত্রপাত ঘটে এই অগ্নিকাণ্ডের।
চারদিন পেরিয়ে গেলেও সেখানে কাটেনি খাদ্য ও পানি সংকট। বিভিন্ন সংগঠন সহায়তার জন্য এগিয়ে এলেও, প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল। এছাড়া সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে সব ক্ষতিগ্রস্থরা সহায়তা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন।
আগুনের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে একটি ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোতে কেবলই অনিশ্চয়তা আর অসহায়ত্ব। ক্ষতি কাটিয়ে উঠে ঠিক কতদিনে তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন তা কেবলই প্রশ্ন যার নেই কোনো উত্তর।
রিপোর্ট : সা.জা./সা.সি
কেবলই পোড়া গন্ধ, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা টিন-কাঠ আর ছাইয়ের স্তূপ যেন রাজধানী ঢাকার মহাখালির কড়াইল বস্তির একাংশ। দেখে বোঝারই উপায় নেই এখানে ক'দিন আগেও ছিলো বহু মানুষের বাস।
খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন মঙ্গলবারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। সেখানে এখন কেবলই দীর্ঘশ্বাস আর অসহায়ত্ব। কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে দেড় হাজার ঘরবাড়ি এবং দোকানপাট।
অগ্নি দুর্ঘটনার পর এভাবেই পরিবারের শিশু সদস্যসহ খোলা আকাশের নিচে দিনযাপন করছেন খলিলুর রহমান। জানালেন অগ্নিকাণ্ডে হারিয়েছেন জীবিকা নির্বাহের দোকান এবং বাসস্থানও।
সেখানকার বাসিন্দাদের তথ্য মতে, একটি ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মাধ্যমে সূত্রপাত ঘটে এই অগ্নিকাণ্ডের।
চারদিন পেরিয়ে গেলেও সেখানে কাটেনি খাদ্য ও পানি সংকট। বিভিন্ন সংগঠন সহায়তার জন্য এগিয়ে এলেও, প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল। এছাড়া সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে সব ক্ষতিগ্রস্থরা সহায়তা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন।
আগুনের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে একটি ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোতে কেবলই অনিশ্চয়তা আর অসহায়ত্ব। ক্ষতি কাটিয়ে উঠে ঠিক কতদিনে তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন তা কেবলই প্রশ্ন যার নেই কোনো উত্তর।
রিপোর্ট : সা.জা./সা.সি
