হংকংয়ের একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৪–এ পৌঁছেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৭৬ জন, যাদের মধ্যে ১১ জন দমকলকর্মীও রয়েছেন। শুক্রবার ভোরে হংকং ফায়ার সার্ভিসের সর্বশেষ আপডেটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, বিস্তীর্ণ কমপ্লেক্সটির মোট আটটি ব্লকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভবনের বাইরের বাঁশের মাচা ও নির্মাণসামগ্রী আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সহায়তা করে। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্বলতে থাকা আগুন প্রায় পুরো ভবনসমূহকে গ্রাস করে ফেলে।
নিহতদের মধ্যে একজন ৩৭ বছর বয়সী দমকলকর্মীও আছেন।
দমকল বাহিনী জানায়, আগুন এখন প্রায় পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এলেও ভবনগুলো সম্পূর্ণ ভষ্মীভূত হয়ে গেছে। এখনও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ থাকায় ধ্বংসস্তূপের ভেতর অনুসন্ধান অভিযান চলছে।
অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে হংকং কর্তৃপক্ষ। নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা বাঁশের মাচা, প্লাস্টিকের জালসহ বিভিন্ন উপকরণ তদন্তের আওতায় রয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ অসাবধানতাবশত ফোম প্যাকেজিং ফেলে রাখার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এদিকে হংকংয়ের দুর্নীতি দমন সংস্থা জানিয়েছে, ভবনটির সংস্কারকাজে কোনো গরমিল ছিল কি না, তা যাচাইয়ের জন্য তারা আলাদা তদন্ত শুরু করেছে।
আগুন লাগার সময় কোনো সতর্ক সংকেত না পাওয়া নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ রয়েছে। তাই পোর ওয়াং ফুক কোর্টের বাসিন্দারা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপিকে বলেন, অ্যালার্ম না বাজায় তাদের দরজায় দরজায় গিয়ে প্রতিবেশীদের সতর্ক করতে হয়েছে।
সুইন নামের এক বাসিন্দা বলেন, “আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছিল। আমি দেখলাম, মাত্র একটি হোস পাইপ দিয়ে কয়েকটি ভবন বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে-এটা খুবই ধীর লেগেছে।”
দুর্যোগের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো মানুষ ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য একটি সহায়তা কেন্দ্র চালু করেছেন স্টোন নামের ৩৮ বছর বয়সী এক হংকং বাসিন্দা। তিনি বলেন, “এটা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়। হংকংবাসীর মানসিকতা হলো-কেউ বিপদে পড়লে সবাই হাত বাড়িয়ে দেয়।”
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
ফায়ার সার্ভিস জানায়, বিস্তীর্ণ কমপ্লেক্সটির মোট আটটি ব্লকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভবনের বাইরের বাঁশের মাচা ও নির্মাণসামগ্রী আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সহায়তা করে। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্বলতে থাকা আগুন প্রায় পুরো ভবনসমূহকে গ্রাস করে ফেলে।
নিহতদের মধ্যে একজন ৩৭ বছর বয়সী দমকলকর্মীও আছেন।
দমকল বাহিনী জানায়, আগুন এখন প্রায় পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এলেও ভবনগুলো সম্পূর্ণ ভষ্মীভূত হয়ে গেছে। এখনও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ থাকায় ধ্বংসস্তূপের ভেতর অনুসন্ধান অভিযান চলছে।
অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে হংকং কর্তৃপক্ষ। নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা বাঁশের মাচা, প্লাস্টিকের জালসহ বিভিন্ন উপকরণ তদন্তের আওতায় রয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ অসাবধানতাবশত ফোম প্যাকেজিং ফেলে রাখার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এদিকে হংকংয়ের দুর্নীতি দমন সংস্থা জানিয়েছে, ভবনটির সংস্কারকাজে কোনো গরমিল ছিল কি না, তা যাচাইয়ের জন্য তারা আলাদা তদন্ত শুরু করেছে।
আগুন লাগার সময় কোনো সতর্ক সংকেত না পাওয়া নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ রয়েছে। তাই পোর ওয়াং ফুক কোর্টের বাসিন্দারা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপিকে বলেন, অ্যালার্ম না বাজায় তাদের দরজায় দরজায় গিয়ে প্রতিবেশীদের সতর্ক করতে হয়েছে।
সুইন নামের এক বাসিন্দা বলেন, “আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছিল। আমি দেখলাম, মাত্র একটি হোস পাইপ দিয়ে কয়েকটি ভবন বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে-এটা খুবই ধীর লেগেছে।”
দুর্যোগের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো মানুষ ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য একটি সহায়তা কেন্দ্র চালু করেছেন স্টোন নামের ৩৮ বছর বয়সী এক হংকং বাসিন্দা। তিনি বলেন, “এটা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়। হংকংবাসীর মানসিকতা হলো-কেউ বিপদে পড়লে সবাই হাত বাড়িয়ে দেয়।”
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
