খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন কড়াইল বস্তির ক্ষতিগ্রস্তরা
কড়াইল বস্তিতে এখন কেবলই দীর্ঘশ্বাস আর ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই চলছে। ভয়াবহ আগুনে এক রাতেই পুড়ে গেছে প্রায় দেড় হাজার ঘরবাড়ি। নিঃস্ব হয়ে খোলা আকাশের নিচে দিনরাত কাটাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। শীতের রাতে খোলা মাঠে ঠাণ্ডায় কাঁপছে অনেক পরিবার।
বুধবার রাত একটার সময় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় চাঁদের জ্যোৎস্নায় শীতে ভেজা ঘাসে শুয়ে দীর্ঘ ক্লান্তিকর রাত কাটাচ্ছে কড়াইল বস্তিবাসী। কান্না জড়িত কণ্ঠে শিশুকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করছে এক বাবা। পুরো শহর যখন গভীর ঘুমে, ঠিক তখন খোলা আকাশের নিচে রাত কাটছে রাজধানীর কড়াইল বস্তির আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের।
আগুনে পুড়ে গেছে বস্তির প্রায় ১৫০০ ঘরবাড়ি। পুরোনো–নতুন আসবাবপত্র, জীবনের সঞ্চয়-কিছুই রক্ষা হয়নি। মঙ্গলবার রাতের অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই সব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচেই ঠাঁই হয়েছে বস্তিবাসীর।
এর আগেও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে এখানে তবে জীবনে এমন দুর্বিষহ পরিস্থিতি এই প্রথম বলে জানালেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
হঠাৎ আগুনে রাতারাতি সর্বস্ব হারানো কড়াইল বস্তির মানুষগুলো এখন অপেক্ষায় দিন পার করছে সরকারি-বেসরকারি সাহায্য-সহায়তার।
দেড় হাজার ঘর ভস্মীভূত হওয়ায় কয়েক হাজার মানুষ এখন খোলা আকাশের নিচে। খাবার, পানি আর আশ্রয়—তিন দিকেই সংকটে পড়েছে তারা। দ্রুত কার্যকর পুনর্বাসন না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে—বলে জানায় স্থানীয়রা।
রিপোর্ট : তৌ. হা/টুবন
বুধবার রাত একটার সময় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় চাঁদের জ্যোৎস্নায় শীতে ভেজা ঘাসে শুয়ে দীর্ঘ ক্লান্তিকর রাত কাটাচ্ছে কড়াইল বস্তিবাসী। কান্না জড়িত কণ্ঠে শিশুকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করছে এক বাবা। পুরো শহর যখন গভীর ঘুমে, ঠিক তখন খোলা আকাশের নিচে রাত কাটছে রাজধানীর কড়াইল বস্তির আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের।
আগুনে পুড়ে গেছে বস্তির প্রায় ১৫০০ ঘরবাড়ি। পুরোনো–নতুন আসবাবপত্র, জীবনের সঞ্চয়-কিছুই রক্ষা হয়নি। মঙ্গলবার রাতের অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই সব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচেই ঠাঁই হয়েছে বস্তিবাসীর।
এর আগেও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে এখানে তবে জীবনে এমন দুর্বিষহ পরিস্থিতি এই প্রথম বলে জানালেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
হঠাৎ আগুনে রাতারাতি সর্বস্ব হারানো কড়াইল বস্তির মানুষগুলো এখন অপেক্ষায় দিন পার করছে সরকারি-বেসরকারি সাহায্য-সহায়তার।
দেড় হাজার ঘর ভস্মীভূত হওয়ায় কয়েক হাজার মানুষ এখন খোলা আকাশের নিচে। খাবার, পানি আর আশ্রয়—তিন দিকেই সংকটে পড়েছে তারা। দ্রুত কার্যকর পুনর্বাসন না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে—বলে জানায় স্থানীয়রা।
রিপোর্ট : তৌ. হা/টুবন
