পুরুষ হয়েও লোভে পড়ে কেউ কেউ অপারেশনের মাধ্যমে হিজড়া হয়েছেন। ভেবেছিলেন সহজ জীবিকার পথ বেছে নেবেন। কিন্তু সে ইচ্ছের গুড়ে বালি। পরিবর্তন করে হিজড়া হয় অনেকে। কাউকে কাউকে জোর করেও সে রকম বানানো হয়।
একসময় তারা পুরুষ ছিলেন। তাদের পরিবারের মানুষ এবং গ্রামবাসী সে কথাই বলছেন। কিন্তু এখন তারাই ভিন্ন পরিচয়ে।
লোভে পড়ে অপারেশন করে পুরুষ থেকে হিজড়া হয়েছেন নেত্রকোনা জেলার বেশ কয়েকজন যুবক। তবু ভাগ্য বদলায়নি। যা' আয় করেন, এর অর্ধেকই নাকি দিয়ে দিতে হয় জেলার গুরু মাকে। বাকি টাকা যায় উপজেলা দলনেতার কাছে। নিজের উপার্জিত টাকা হলেও, চাইলেই খরচ করতে পারেন না।
গুরু মায়ের অনুমতি ছাড়া মুখ খুলতেও ভয় তাদের। তবে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার ময়না হিজড়া সরাসরি অভিযোগ করলেন সেখানকার গুরু মায়ের বিরুদ্ধে।
নেত্রকোনার গুরু মা লতা হিজড়ার সাথে কথা বলতে চাইলে, অন্য হিজড়ারা তাঁকে কল দেন। সাংবাদিক পরিচয় শুনেই কল কেটে দিয়ে মোবাইল বন্ধ করে দেন লতা হিজড়া।
এলাকাবাসী জানান, স্বল্পদশা গ্রামের যুবক তাজুল ইসলাম, বেশ কয়েক বছর নিরুদ্দেশ ছিলেন। এরপর তিনি ফিরে আসেন লতা হিজড়া হয়ে। তৃতীয় লিঙ্গে রূপান্তরের পর তার ভাগ্য বদলে গেছে, এমন কথা বলছেন অনেকে।
লতা হিজড়ার বাড়িতে গেলে তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা অন্য হিজড়াদের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার পাল্টা অভিযোগ হিজড়া সেজে কয়েকজন পুরুষ এ এলাকায় নানা অপকর্ম চালায়। যারা তার দলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক জানান, লিঙ্গ পরিবর্তন করে হিজড়া হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুয়া হিজড়াদের দৌরাত্ম্য বন্ধে প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা চান ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। লোভে হিজড়া হয়েও বদলায়নি তাদের ভাগ্য।
রিপোর্ট : আসাদ ভূঁইয়া/সা.সি
একসময় তারা পুরুষ ছিলেন। তাদের পরিবারের মানুষ এবং গ্রামবাসী সে কথাই বলছেন। কিন্তু এখন তারাই ভিন্ন পরিচয়ে।
লোভে পড়ে অপারেশন করে পুরুষ থেকে হিজড়া হয়েছেন নেত্রকোনা জেলার বেশ কয়েকজন যুবক। তবু ভাগ্য বদলায়নি। যা' আয় করেন, এর অর্ধেকই নাকি দিয়ে দিতে হয় জেলার গুরু মাকে। বাকি টাকা যায় উপজেলা দলনেতার কাছে। নিজের উপার্জিত টাকা হলেও, চাইলেই খরচ করতে পারেন না।
গুরু মায়ের অনুমতি ছাড়া মুখ খুলতেও ভয় তাদের। তবে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার ময়না হিজড়া সরাসরি অভিযোগ করলেন সেখানকার গুরু মায়ের বিরুদ্ধে।
নেত্রকোনার গুরু মা লতা হিজড়ার সাথে কথা বলতে চাইলে, অন্য হিজড়ারা তাঁকে কল দেন। সাংবাদিক পরিচয় শুনেই কল কেটে দিয়ে মোবাইল বন্ধ করে দেন লতা হিজড়া।
এলাকাবাসী জানান, স্বল্পদশা গ্রামের যুবক তাজুল ইসলাম, বেশ কয়েক বছর নিরুদ্দেশ ছিলেন। এরপর তিনি ফিরে আসেন লতা হিজড়া হয়ে। তৃতীয় লিঙ্গে রূপান্তরের পর তার ভাগ্য বদলে গেছে, এমন কথা বলছেন অনেকে।
লতা হিজড়ার বাড়িতে গেলে তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা অন্য হিজড়াদের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার পাল্টা অভিযোগ হিজড়া সেজে কয়েকজন পুরুষ এ এলাকায় নানা অপকর্ম চালায়। যারা তার দলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক জানান, লিঙ্গ পরিবর্তন করে হিজড়া হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুয়া হিজড়াদের দৌরাত্ম্য বন্ধে প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা চান ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। লোভে হিজড়া হয়েও বদলায়নি তাদের ভাগ্য।
রিপোর্ট : আসাদ ভূঁইয়া/সা.সি
