গ্রাহকের টাকা নিয়ে ‘উধাও’ টাঙ্গাইলের বাংলার মেলা সংস্থা
ছয় বছরে টাকা দ্বিগুণ করে দেওয়ার প্রলোভনে গ্রাহকদের কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ বাংলার মেলা সংস্থা নামে টাঙ্গাইলের একটি এনজিওর বিরুদ্ধে। মেয়াদ পূর্ণ হলেও টাকা না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ অনেকে। টাকা ফেরতের জন্যে তারা ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে।
টানাপোড়েনের সংসার সামলে ছোট মেয়ের বিয়ের জন্য অনেক কষ্টে ৫ লাখ টাকা জমান টাঙ্গাইল সদরের রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা তুলসী রানী পাল। সেই টাকা এফডিআর করেন বাংলার মেলা সংস্থা নামে একটি এনজিওতে। কিন্তু মেয়াদ পূর্ণ হলেও কোনো টাকা তুলতে পারছেন না তিনি।
শুধু তুলসী রানী নন, একই অবস্থা আশেপাশের আরও অনেকের। যাদের সবাই একটু লাভের আশায় বাংলার মেলা সংস্থায় টাকা রেখে পড়েছেন বিপাকে।
অভিযুক্ত দীলিপ কুমার দাসের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইলে একাধিকবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। স্বামীর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ঘিরে প্রশ্নে দীলিপ কুমারের স্ত্রী সুচিত্রা দাস বলেন, তিনি কিছুই জানেন না।
এলাকাবাসীরা জানান, মিথ্যা আশ্বাসে গ্রাহকদের নিঃস্ব করেছে এই এনজিও। গ্রাহকদের কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন বন্ধ রাবনা নয়াপাড়ার এই শাখা অসিফ।
গ্রামের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের- জমানো টাকার প্রতারণা নিয়ে যখন এলাকায় তোলপাড়, তখন স্থানীয় চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম খান বিষয়টি সামাধানের জন্য শালিস বসান। তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
টাঙ্গাইল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অফিসার (রেজিঃ) আসাদুল ইসলাম জানায়, ২০০৪ সালের জুন মাসের ৯ তারিখে নিবন্ধন পায় বাংলার মেলা সংস্থাটি। তবে ঋণ কার্যক্রম নয় বরং সেচ্ছামুলক সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের নিবন্ধন দেওয়া হয়েছিলো।
এদিকে, ক্ষুদ্র ঋণ পরিচালনার জন্য ২০০৮ সালের ১৩ নভেম্বর- বিএমএস’কে ‘এমআরএ’ সনদ দেয়- ঢাকার মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি। বিধিমালা না মেনে গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করলে, তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান এই কর্মকর্তারা।
ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের অনুমোদন নিয়ে গড়ে ওঠা- এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রলোভনের ফাঁদে পড়ে- প্রতিনিয়তই সর্বোস্ব হারাচ্ছে হাজার হাজার গ্রাহক। পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই ছাড়া অনুমোদন দেয়ায় প্রতারকরাও কাজে লাগায় সুযোগ। তাই এখনই এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সচেতন মহলের।
রিপোর্ট : এসআই রাজ/সা.সি
টানাপোড়েনের সংসার সামলে ছোট মেয়ের বিয়ের জন্য অনেক কষ্টে ৫ লাখ টাকা জমান টাঙ্গাইল সদরের রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা তুলসী রানী পাল। সেই টাকা এফডিআর করেন বাংলার মেলা সংস্থা নামে একটি এনজিওতে। কিন্তু মেয়াদ পূর্ণ হলেও কোনো টাকা তুলতে পারছেন না তিনি।
শুধু তুলসী রানী নন, একই অবস্থা আশেপাশের আরও অনেকের। যাদের সবাই একটু লাভের আশায় বাংলার মেলা সংস্থায় টাকা রেখে পড়েছেন বিপাকে।
অভিযুক্ত দীলিপ কুমার দাসের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইলে একাধিকবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। স্বামীর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ঘিরে প্রশ্নে দীলিপ কুমারের স্ত্রী সুচিত্রা দাস বলেন, তিনি কিছুই জানেন না।
এলাকাবাসীরা জানান, মিথ্যা আশ্বাসে গ্রাহকদের নিঃস্ব করেছে এই এনজিও। গ্রাহকদের কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন বন্ধ রাবনা নয়াপাড়ার এই শাখা অসিফ।
গ্রামের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের- জমানো টাকার প্রতারণা নিয়ে যখন এলাকায় তোলপাড়, তখন স্থানীয় চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম খান বিষয়টি সামাধানের জন্য শালিস বসান। তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
টাঙ্গাইল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অফিসার (রেজিঃ) আসাদুল ইসলাম জানায়, ২০০৪ সালের জুন মাসের ৯ তারিখে নিবন্ধন পায় বাংলার মেলা সংস্থাটি। তবে ঋণ কার্যক্রম নয় বরং সেচ্ছামুলক সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের নিবন্ধন দেওয়া হয়েছিলো।
এদিকে, ক্ষুদ্র ঋণ পরিচালনার জন্য ২০০৮ সালের ১৩ নভেম্বর- বিএমএস’কে ‘এমআরএ’ সনদ দেয়- ঢাকার মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি। বিধিমালা না মেনে গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করলে, তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান এই কর্মকর্তারা।
ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের অনুমোদন নিয়ে গড়ে ওঠা- এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রলোভনের ফাঁদে পড়ে- প্রতিনিয়তই সর্বোস্ব হারাচ্ছে হাজার হাজার গ্রাহক। পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই ছাড়া অনুমোদন দেয়ায় প্রতারকরাও কাজে লাগায় সুযোগ। তাই এখনই এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সচেতন মহলের।
রিপোর্ট : এসআই রাজ/সা.সি
