উদ্বোধনের তিন বছর পেরোলেও, বেকার পাবনার রূপপুর রেলওয়ে স্টেশন। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভারী মালামাল পরিবহনের পরিকল্পনায় নির্মিত সর্বাধুনিক স্টেশনটিতে কখনো আসেনি কোনো মালামাল। প্রশ্ন উঠেছে, রূপপুর প্রকল্পের মহাপরিকল্পনা না থাকলেও, কার স্বার্থে তৈরি হলো ৩৩৫ কোটি টাকার এই ব্যয়বহুল স্টেশন?
পদ্মার তীরে সুরম্য দোতলা ভবনসহ ঝাঁ চকচকে রেল স্টেশন। স্টেশন ইয়ার্ডে অপেক্ষমাণ সারি সারি ওয়াগন। কিন্তু নেই ট্রেন চলাচলের কোনো কার্যক্রম। ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধনের পর থেকে এভাবেই অব্যবহৃত পড়ে আছে ৩৩৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই স্টেশন।
কার্যক্রম না থাকায় নিরপত্তারক্ষী ছাড়া দেখা মেলে না কোনো কর্মকর্তার। অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে শত কোটি টাকার সরঞ্জাম। বাণিজ্য আর কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখানো স্টেশনটির এমন পরিণতিতে হতাশ স্থানীয়রা।
২০১৮ থেকে ২২ সাল পর্যন্ত চার বছরে রূপপুর রেলওয়ে স্টেশন ও ঈশ্বরদী বাইপাস পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ২৬ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভারী মালামাল পরিবহনে স্টেশনটির প্রয়োজনীয়তা জানানো হলেও, প্রকল্পের মাস্টার ট্রান্সপোর্টেশন পরিকল্পনাতেই ছিলো না এই রেলপথ। অভিযোগ উঠেছে, বিশেষ মহলকে সুবিধা দিতেই অপ্রয়োজনীয় ও ব্যয়বহুল এই প্রকল্প নেয়া হয়েছিল।
বিদ্যুৎ প্রকল্পের সাথে সম্পর্কিত নয় জানিয়ে, বিতর্কিত রেল প্রকল্প নিয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি রূপপুর কর্তৃপক্ষ। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজে রেলপথের ব্যবহার নিয়ে ধোঁয়াশায় স্বয়ং রেল বিভাগও। বিকল্প বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। সট: লিয়াকত আলী খান, বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক, পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ২০২০ সালে রূপপুর রেলপথ ও স্টেশন নির্মাণে অর্থ অপচয় ও অনিয়ম নিয়ে অডিট আপত্তি ওঠে। সম্প্রতি অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
রিপোর্ট : শ.রা./সা.সি
পদ্মার তীরে সুরম্য দোতলা ভবনসহ ঝাঁ চকচকে রেল স্টেশন। স্টেশন ইয়ার্ডে অপেক্ষমাণ সারি সারি ওয়াগন। কিন্তু নেই ট্রেন চলাচলের কোনো কার্যক্রম। ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধনের পর থেকে এভাবেই অব্যবহৃত পড়ে আছে ৩৩৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই স্টেশন।
কার্যক্রম না থাকায় নিরপত্তারক্ষী ছাড়া দেখা মেলে না কোনো কর্মকর্তার। অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে শত কোটি টাকার সরঞ্জাম। বাণিজ্য আর কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখানো স্টেশনটির এমন পরিণতিতে হতাশ স্থানীয়রা।
২০১৮ থেকে ২২ সাল পর্যন্ত চার বছরে রূপপুর রেলওয়ে স্টেশন ও ঈশ্বরদী বাইপাস পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ২৬ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভারী মালামাল পরিবহনে স্টেশনটির প্রয়োজনীয়তা জানানো হলেও, প্রকল্পের মাস্টার ট্রান্সপোর্টেশন পরিকল্পনাতেই ছিলো না এই রেলপথ। অভিযোগ উঠেছে, বিশেষ মহলকে সুবিধা দিতেই অপ্রয়োজনীয় ও ব্যয়বহুল এই প্রকল্প নেয়া হয়েছিল।
বিদ্যুৎ প্রকল্পের সাথে সম্পর্কিত নয় জানিয়ে, বিতর্কিত রেল প্রকল্প নিয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি রূপপুর কর্তৃপক্ষ। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজে রেলপথের ব্যবহার নিয়ে ধোঁয়াশায় স্বয়ং রেল বিভাগও। বিকল্প বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। সট: লিয়াকত আলী খান, বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক, পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ২০২০ সালে রূপপুর রেলপথ ও স্টেশন নির্মাণে অর্থ অপচয় ও অনিয়ম নিয়ে অডিট আপত্তি ওঠে। সম্প্রতি অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
রিপোর্ট : শ.রা./সা.সি
