৩৮ বছরেও কিশোরগঞ্জের বিসিক শিল্পনগরীতে গড়ে ওঠেনি প্রত্যাশিত শিল্পকারখানা। অনেক প্লট আজও খালি। যে কয়টি কারখানা আছে, এর বেশিরভাগই নানা সমস্যায় জর্জরিত। অনেকগুলোতে নেই কোনো যন্ত্রপাতি। ফলে সম্ভাবনা থাকার পরও এই বিসিক, শিল্প ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারছে না।
১৯৮৭ সালে প্রায় ২১ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় কিশোরগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরী। ১৫০টি প্লটের মধ্যে ১৪৯টি বরাদ্দ দেওয়া হলেও, বর্তমানে চালু আছে মাত্র ১৫ থেকে ২০টি কারখানা। এর মধ্যে কিছু কারখানা মাঝেমধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়।
আবার অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, যেগুলো, সাইনবোর্ড সর্বস্ব। এসব কারখানায় নিয়মিত বেতন হয় না শ্রমিক-কর্মচারিদের। সব কারখানা চালু থাকলে কর্মসংস্থান হতো ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষের।
চালু কারখানার মালিকদেরও আছে নানা অসন্তোষ। তারা জানান, বিসিক প্রতি বর্গফুটের জন্য বছরে আড়াই টাকা করে সার্ভিস চার্জ নেয়। দিতে হয় ভূমি উন্নয়ন করও। কিন্তু পানি সরবরাহসহ কোনো সেবা পান না তারা। ভাঙা রাস্তাঘাট মেরামত হয় না বহুদিন। নেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
বহু উদ্যোক্তা প্লট নিয়ে কোনো কারখানাই করেননি সেখানে। কেউ শুধু ভবন তুলেছেন, কেউবা কিছুদিন চালিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন। অনেক প্লট অবৈধভাবে হাতবদলও হয়েছে একাধিকবার। কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তায় এই বেহাল দশার অভিযোগ।
বিসিক কর্তৃপক্ষ বলছে, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তারা শিল্পনগরীকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রায় চার দশকেও জেগে ওঠেনি কিশোরগঞ্জের বিসিক শিল্পনগরী। তবু সঠিক পরিকল্পনায় বদলে যেতে পারে এ চিত্র।
রিপোর্ট : সৈ.দা./সা.সি
১৯৮৭ সালে প্রায় ২১ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় কিশোরগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরী। ১৫০টি প্লটের মধ্যে ১৪৯টি বরাদ্দ দেওয়া হলেও, বর্তমানে চালু আছে মাত্র ১৫ থেকে ২০টি কারখানা। এর মধ্যে কিছু কারখানা মাঝেমধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়।
আবার অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, যেগুলো, সাইনবোর্ড সর্বস্ব। এসব কারখানায় নিয়মিত বেতন হয় না শ্রমিক-কর্মচারিদের। সব কারখানা চালু থাকলে কর্মসংস্থান হতো ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষের।
চালু কারখানার মালিকদেরও আছে নানা অসন্তোষ। তারা জানান, বিসিক প্রতি বর্গফুটের জন্য বছরে আড়াই টাকা করে সার্ভিস চার্জ নেয়। দিতে হয় ভূমি উন্নয়ন করও। কিন্তু পানি সরবরাহসহ কোনো সেবা পান না তারা। ভাঙা রাস্তাঘাট মেরামত হয় না বহুদিন। নেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
বহু উদ্যোক্তা প্লট নিয়ে কোনো কারখানাই করেননি সেখানে। কেউ শুধু ভবন তুলেছেন, কেউবা কিছুদিন চালিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন। অনেক প্লট অবৈধভাবে হাতবদলও হয়েছে একাধিকবার। কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তায় এই বেহাল দশার অভিযোগ।
বিসিক কর্তৃপক্ষ বলছে, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তারা শিল্পনগরীকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রায় চার দশকেও জেগে ওঠেনি কিশোরগঞ্জের বিসিক শিল্পনগরী। তবু সঠিক পরিকল্পনায় বদলে যেতে পারে এ চিত্র।
রিপোর্ট : সৈ.দা./সা.সি
