নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ওছখালী বাজারের জিরো পয়েন্টে বিএনপি মনোনীত প্রাথী কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম এবং হাতিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল আজিমের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ফজলুল আজিম অনুসারী হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইফতেখার হোসেন বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ওছখালী বাজারে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রাথী কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমের প্রার্থীতা পরিবর্তনের দাবিতে মশাল মিছিল কর্মসূচি দেয় সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল আজিমের অনুসারীরা।
সন্ধ্যার দিকে উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়ন থেকে মশাল মিছিলে যোগ দিতে আজিম অনুসারী বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা তার ওছখালীর বাড়ির উদ্দেশ্যে আসতে থাকে। ওই সময় শামীম অনুসারীরা তাদেরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে। এতে সাবেক সাংসদ আজিম অনুসারী প্রায় ১০-১২জন নেতাকর্মি আহত হয়। পরে আজিম অনুসারী নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শামীম অনুসারীদের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। একপর্যায়ে শামীম অনুসারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। বর্তমানে আমাদের প্রায় ৮-১০জন নেতাকির্ম উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
শামীম অনুসারী হাতিয়া পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিব কাউছার মোস্তফা বলেন, ওছখালী বাজারের রেডট্রি হোটেলের সামনে থেকে ধানের শীষ মার্কার সমর্থনে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মিরা একটি মিছিল বের করে। ওই সময় উপজেলার তমরদ্দি থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে আজিম অনুসারী নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে ওছখালি বাজারে আসে।
একপর্যায়ে ওছখালি বাজার মোড়ে দুইটি মিছিল মুখোমুখি হয়ে যায়। এ সময় আজিম অনুসারী নেতাকর্মিরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের ১২-১৫জন নেতাকর্মি আহত হয়। পরবর্তীতে তারা শামীম অনুসারী হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোকারম বিল্লাহ শাহদাতের বাসায় হামলা চালায় এবং ছররা গুলি ছোঁড়ে। ওই সময় সড়কে শামীম অনুসারীদের কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। বর্তমানে ওছখালী বাজার আমাদের দখলে রয়েছে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। তবে আমার কাছে আহত হওয়ার কোন খবর নেই।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা.ই.স
শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ওছখালী বাজারের জিরো পয়েন্টে বিএনপি মনোনীত প্রাথী কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম এবং হাতিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল আজিমের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ফজলুল আজিম অনুসারী হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইফতেখার হোসেন বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ওছখালী বাজারে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রাথী কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমের প্রার্থীতা পরিবর্তনের দাবিতে মশাল মিছিল কর্মসূচি দেয় সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল আজিমের অনুসারীরা।
সন্ধ্যার দিকে উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়ন থেকে মশাল মিছিলে যোগ দিতে আজিম অনুসারী বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা তার ওছখালীর বাড়ির উদ্দেশ্যে আসতে থাকে। ওই সময় শামীম অনুসারীরা তাদেরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে। এতে সাবেক সাংসদ আজিম অনুসারী প্রায় ১০-১২জন নেতাকর্মি আহত হয়। পরে আজিম অনুসারী নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শামীম অনুসারীদের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। একপর্যায়ে শামীম অনুসারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। বর্তমানে আমাদের প্রায় ৮-১০জন নেতাকির্ম উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
শামীম অনুসারী হাতিয়া পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিব কাউছার মোস্তফা বলেন, ওছখালী বাজারের রেডট্রি হোটেলের সামনে থেকে ধানের শীষ মার্কার সমর্থনে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মিরা একটি মিছিল বের করে। ওই সময় উপজেলার তমরদ্দি থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে আজিম অনুসারী নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে ওছখালি বাজারে আসে।
একপর্যায়ে ওছখালি বাজার মোড়ে দুইটি মিছিল মুখোমুখি হয়ে যায়। এ সময় আজিম অনুসারী নেতাকর্মিরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের ১২-১৫জন নেতাকর্মি আহত হয়। পরবর্তীতে তারা শামীম অনুসারী হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোকারম বিল্লাহ শাহদাতের বাসায় হামলা চালায় এবং ছররা গুলি ছোঁড়ে। ওই সময় সড়কে শামীম অনুসারীদের কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। বর্তমানে ওছখালী বাজার আমাদের দখলে রয়েছে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। তবে আমার কাছে আহত হওয়ার কোন খবর নেই।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা.ই.স
