বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত অনুমোদন
অবশেষে বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। মন্ত্রণালয় থেকে এ অনুমোদন পাওয়ার পর, আগামী সপ্তাহেই ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হবে। নতুন এই উদ্যোগের আওতায় বিচার বিভাগের কার্যক্রম উচ্চ আদালতের অধীনে পরিচালিত হবে।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই প্রস্তাব নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
এ সময় আইন উপদেষ্টা বলেন, “আমরা মাসদার হোসেনের মামলার রায় বাস্তবায়ন করেছি। এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।” তিনি আরও বলেন, “এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘ ২০-৩০ বছরের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হলো।”
১৯৯৫ সালে বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মাসদার হোসেন ও তার সহকর্মীরা বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব থেকে মুক্ত করতে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। ১৯৯৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সেই মামলায় একটি ঐতিহাসিক রায় দেয়, যার মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু এর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব বাস্তবায়ন হতে দীর্ঘ সময় লেগেছে।
তবে এবার, ২৬ বছর পর এই পদক্ষেপের বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে, যা সরকারের পক্ষ থেকে আদালতের স্বাধীনতা এবং বিচার বিভাগের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে।
বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয়ের প্রতিষ্ঠা মানে হলো বিচার বিভাগকে আরও স্বতন্ত্র ও স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ দেওয়া। এটি বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় একটি নতুন যুগের সূচনা করতে যাচ্ছে, যা আদালতের স্বায়ত্তশাসন এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই প্রস্তাব নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
এ সময় আইন উপদেষ্টা বলেন, “আমরা মাসদার হোসেনের মামলার রায় বাস্তবায়ন করেছি। এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।” তিনি আরও বলেন, “এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘ ২০-৩০ বছরের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হলো।”
১৯৯৫ সালে বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মাসদার হোসেন ও তার সহকর্মীরা বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব থেকে মুক্ত করতে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। ১৯৯৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সেই মামলায় একটি ঐতিহাসিক রায় দেয়, যার মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু এর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব বাস্তবায়ন হতে দীর্ঘ সময় লেগেছে।
তবে এবার, ২৬ বছর পর এই পদক্ষেপের বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে, যা সরকারের পক্ষ থেকে আদালতের স্বাধীনতা এবং বিচার বিভাগের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে।
বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয়ের প্রতিষ্ঠা মানে হলো বিচার বিভাগকে আরও স্বতন্ত্র ও স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ দেওয়া। এটি বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় একটি নতুন যুগের সূচনা করতে যাচ্ছে, যা আদালতের স্বায়ত্তশাসন এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
