ATN
শিরোনাম
  •  

শ্রমবাজার খুললেও মালয়েশিয়ার বেশিরভাগ শর্ত মানা সম্ভব নয়: আসিফ নজরুল

         
শ্রমবাজার খুললেও মালয়েশিয়ার বেশিরভাগ শর্ত মানা সম্ভব নয়: আসিফ নজরুল

শ্রমবাজার খুললেও মালয়েশিয়ার বেশিরভাগ শর্ত মানা সম্ভব নয়: আসিফ নজরুল

বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় চালু করলেও মালয়েশিয়া যে ১০টি কঠোর শর্ত দিয়েছে, তার বেশিরভাগই পূরণ করা অসম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, এসব শর্ত মানতে গেলে আবারও সিন্ডিকেট গড়ে উঠবে।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল শেরাটন ঢাকায় আইএলও’র সহযোগিতায় তৈরি ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্ম (ওইপি) উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

অতীতে নানা জটিলতা ও সিন্ডিকেটের অভিযোগে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বারবার বন্ধ হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি নতুন করে ১০টি বাধ্যতামূলক শর্ত দেয়, যার মধ্যে রয়েছে-কমপক্ষে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা, গত পাঁচ বছরে ন্যূনতম তিন হাজার কর্মী পাঠানোর রেকর্ড, তিনটি দেশে কর্মী পাঠানোর অভিজ্ঞতা, ১০ হাজার বর্গফুট স্থায়ী অফিস, নিজস্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং মানবপাচার বা মানি লন্ডারিংসহ কোনো অপরাধে জড়িত না থাকার প্রমাণ।

বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো এসব শর্তকে ‘অবাস্তব ও বৈষম্যমূলক’ বলে দাবি করছে।

এ বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “মালয়েশিয়া যে ১০টি শর্ত দিয়েছে, সেগুলোর কয়েকটির ব্যাপারে আমরা শক্ত আপত্তি জানিয়েছি। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সঙ্গে কথা বলে মালয়েশিয়াকে জানিয়েছি-এগুলো পূরণ করা সম্ভব নয়। কারণ এগুলো মানতে গেলে অল্প কয়েকটি এজেন্সি সুযোগ পাবে, যা আবার সিন্ডিকেট তৈরি করবে। আমরা এটি চাই না।”

তিনি আরও বলেন, “মালয়েশিয়া আশ্বাস দিয়েছে-তারা বিষয়গুলো বিবেচনা করবে। শ্রমবাজার সবার জন্য উন্মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাব।”

অনুষ্ঠানে তিনি ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্ম (ওইপি) উদ্বোধন করেন। এই সমন্বিত জাতীয় ডিজিটাল গেটওয়ে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় অভিবাসী কর্মী, রিক্রুটিং এজেন্সি, বিএমইটি, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নিয়োগকর্তা ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষসহ সব কার্যক্রমকে একীভূত করবে। এতে স্বচ্ছতা বাড়বে, মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা কমবে এবং কর্মীদের ব্যয়ও কমবে।

ড. আসিফ নজরুল জানান, আগে ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবার জন্য টাকা দিতে হতো, কিন্তু নতুন প্ল্যাটফর্মে এসব সেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যাবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন দেইপাক এলমার, আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুননসহ অন্যান্য অতিথিরা। সভাপতিত্ব করেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নিয়ামত উল্লাহ ভূইঁয়া।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস

পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ