ATN
শিরোনাম
  •  

শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন হত্যাকাণ্ডে অস্ত্রসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

         
শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন হত্যাকাণ্ডে অস্ত্রসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন হত্যাকাণ্ডে অস্ত্রসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর পুরান ঢাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি)।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রুবেল ও ইব্রাহিম নামে দুই শুটার রয়েছেন। পেশাদার ভাড়াটে শুটার হিসেবে কাজ করা এ দুজন মামুনকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়েছিলেন বলে জানা গেছে। ভারতে পালিয়ে যাওয়ার আগে তাদের সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর দিবাগত রাতে এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, ‘রাজধানীর সূত্রাপুরে চাঞ্চল্যকর মামুন হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার এবং দুই শুটারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আগামীকাল বুধবার, ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।’

এর আগে সোমবার, ১০ নভেম্বর বেলা ১১টার দিকে পুরান ঢাকায় আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুনকে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে হাসপাতালের গেটে মামুনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। মামুন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলেও দুই হামলাকারী খুব কাছ থেকে গুলি চালায়।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রক্তাক্ত মামুনকে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মামুনের ছোট ভাই ইমন দাবি করেন, মামুনের সাথে কারো কোনো বিরোধ বা শত্রুতার কথা তার জানা নেই।
নিহত মামুনের সুরতহাল প্রতিবেদনে দেখা যায়, মামুনের শরীরে মোট সাতটি গুলির চিহ্ন ছিল—মাথার নিচে একটি, বাম পিঠে একটি, বুকের ডান পাশে একটি, বাম কব্জিতে একটি এবং ডান কব্জির ওপরে একটি।

পুলিশ জানায়, নিহত তারিক সাইফ মামুন রাজধানীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একজন। তিনি ‘ইমন-মামুন গ্রুপের’ অন্যতম প্রধান ছিলেন। এক সময় তিনি কুখ্যাত সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের সহযোগী ছিলেন।

অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইমন ও মামুনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। আলোচনায় উঠে আসে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফের নাম। ১৯৯৭ সালে মোহাম্মদপুর জোসেফের ভাই টিপু হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান আসামি ছিলেন নিহত মামুন।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/ সা. সি

পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ