স্বৈরাচার পতনের মতো নাশকতাকারীদেরও প্রতিহত করবে ঢাকাবাসী: ডিএমপি কমিশনার
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, ঢাকাবাসী অতীতে যেমন স্বৈরাচার পতনে ভূমিকা রেখেছে, তেমনি এই নাশকতাকারীদেরও প্রতিহত করবে।
আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ঢাকা মহানগরীর চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রান্ত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দল ও সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে এবং রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগ ঘটিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতিতে জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতাই নাশকতা মোকাবিলায় সবচেয়ে বড় শক্তি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, গত ১-১১ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর ১৫টি স্থানে ১৭টি ককটেল বিস্ফোরণ ও গত দুই দিনে নয়টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১৭টি মামলা দায়ের ও ৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ দল ও সহযোগী সংগঠনের ৫৫২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি।
শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, অধিকাংশ নাশকতাকারীরা ঢাকার বাইরে থেকে এসে অর্থের বিনিময়ে ঝটিকা মিছিলে অংশ নিচ্ছে। মিছিল শেষে আবার ঢাকার বাহিরে চলে যাচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে- হেলমেট ও মাস্ক পরে দুর্বৃত্তরা ভোরবেলা বা দিনের ব্যস্ত সময়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহার করা হচ্ছে।
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, অপরিচিত কাউকে আশ্রয় দিবেন না। নিজস্ব যানবাহন অন্যের হাতে দেওয়ার আগে সচেতন থাকবেন। আর সন্দেহজনক কাউকে দেখলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জানাবেন।
সম্প্রতি রাজধানীতে অগ্নিসংযোগের শিকার বেশিরভাগ বাসই রাতে অরক্ষিতভাবে রাস্তার পাশে পার্ক করা ছিল। তাই পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের প্রতি বাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি জানান, দুর্বৃত্তদের ছোড়া ককটেল হামলায় এক সার্জেন্ট আহত হলেও বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। মোটরসাইকেলে ককটেল ছুড়ে পালানো দুর্বৃত্তদের খুব শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে। গত মার্চ-এপ্রিল মাসের তুলনায় এ মাসে বর্তমানে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক রয়েছে।
রাজধানীতে বিভিন্ন দাবি দাওয়ার আন্দোলন প্রসঙ্গে কমিশনার বলেন, ডিএমপির নীতি হলো কোনো মানুষকে আঘাত করা নয়। আমি প্রতিদিনই অফিসারদের নির্দেশ দিই, কারও গায়ে লাঠি তুলবেন না। আমরা এদেশের পুলিশ, জনগণকে সেবা দিতে চাই। ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ঢাকাবাসী আমাদের সঙ্গে আছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা.ই.স
আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ঢাকা মহানগরীর চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রান্ত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দল ও সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে এবং রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগ ঘটিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতিতে জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতাই নাশকতা মোকাবিলায় সবচেয়ে বড় শক্তি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, গত ১-১১ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর ১৫টি স্থানে ১৭টি ককটেল বিস্ফোরণ ও গত দুই দিনে নয়টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১৭টি মামলা দায়ের ও ৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ দল ও সহযোগী সংগঠনের ৫৫২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি।
শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, অধিকাংশ নাশকতাকারীরা ঢাকার বাইরে থেকে এসে অর্থের বিনিময়ে ঝটিকা মিছিলে অংশ নিচ্ছে। মিছিল শেষে আবার ঢাকার বাহিরে চলে যাচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে- হেলমেট ও মাস্ক পরে দুর্বৃত্তরা ভোরবেলা বা দিনের ব্যস্ত সময়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহার করা হচ্ছে।
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, অপরিচিত কাউকে আশ্রয় দিবেন না। নিজস্ব যানবাহন অন্যের হাতে দেওয়ার আগে সচেতন থাকবেন। আর সন্দেহজনক কাউকে দেখলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জানাবেন।
সম্প্রতি রাজধানীতে অগ্নিসংযোগের শিকার বেশিরভাগ বাসই রাতে অরক্ষিতভাবে রাস্তার পাশে পার্ক করা ছিল। তাই পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের প্রতি বাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি জানান, দুর্বৃত্তদের ছোড়া ককটেল হামলায় এক সার্জেন্ট আহত হলেও বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। মোটরসাইকেলে ককটেল ছুড়ে পালানো দুর্বৃত্তদের খুব শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে। গত মার্চ-এপ্রিল মাসের তুলনায় এ মাসে বর্তমানে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক রয়েছে।
রাজধানীতে বিভিন্ন দাবি দাওয়ার আন্দোলন প্রসঙ্গে কমিশনার বলেন, ডিএমপির নীতি হলো কোনো মানুষকে আঘাত করা নয়। আমি প্রতিদিনই অফিসারদের নির্দেশ দিই, কারও গায়ে লাঠি তুলবেন না। আমরা এদেশের পুলিশ, জনগণকে সেবা দিতে চাই। ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ঢাকাবাসী আমাদের সঙ্গে আছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা.ই.স
