ATN
শিরোনাম
  •  

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন আতঙ্কে দিন কাটছে সীমান্তবাসীর

         
 বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন আতঙ্কে দিন কাটছে সীমান্তবাসীর

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন আতঙ্কে দিন কাটছে সীমান্তবাসীর

মিয়ানমারের সংঘাতময় রাখাইন রাজ্যে সরকারি সেনা ও বিদ্রোহী আরাকান আর্মির লড়াইয়ের প্রভাব পড়েছে তুমব্রু সীমান্তে। দিনদুপুরে সশস্ত্র আরাকান আর্মির সদস্যদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ, সীমান্তে একের পর এক মাইন বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় অস্থির বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত। তাই মাইন আতঙ্কে দিন কাটছে সীমান্তবাসীর।

১৮ অক্টোবরে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ভারী অস্ত্রহাতে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি দিয়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে আরাকান আর্মির ৩ সদস্য। ২৪ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে শোনা যায়, তাদের ফিরে যেতে বলছেন বিজিবি।

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএম খায়রুল আলম বলেন, অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে আরাকান আর্মির ওই ৩ সদস্যকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

আরও এক উৎকণ্ঠার নাম মাইন। সীমান্ত করিডোরে রাতের আঁধারে মাইন পুঁতে রাখছে আরাকান আর্মি। বিভিন্ন সময় মাইন বিস্ফোরণে আহত হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজিবি সদস্যরা।

১২ অক্টোবর তুমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন বিজিবি সদস্য নায়েক আক্তার হোসেন। ৩১ অক্টোবর ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার।

গত বছর মাইন বিস্ফোরণে পা ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় ফকিরা ঘোনা গ্রামের বাসিন্দা নবী হোছেনের। বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে হেডম্যানপাড়ার অন্যতেইং তঞ্চগ্যার।

লে. কর্নেল এসএম খায়রুল আলম আরও জানান, মিয়ানমারে ত্রিমুখী সংঘর্ষ এবং সীমান্তে পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন অন্তত ৬০ বাংলাদেশি বাসিন্দা। পা হারিয়েছেন ৪৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।

মাইন বিস্ফোরণে হতাহতদের পরিবারে নেমে এসেছে ভয়াবহ বিপর্যয়। তাই প্রতিদিন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে সীমান্তবাসীর।

রিপোর্ট : সৈ. দা/টুবন
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ