অস্থির পেঁয়াজের দাম, আমদানি না হলে দাম আরও বাড়তে পারে
অস্থির পেঁয়াজের দাম। চট্টগ্রামের বৃহত্তম পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। সরবরাহ কমের অজুহাতে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা উঠেছে পেঁয়াজের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে আমদানি না হলে দাম আরও বাড়বে। তবে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির পেছনে ব্যবসায়ীদের কারসাজি দেখছেন অনেকে।
গত তিন-চারদিন আগেও খাতুনগঞ্জে রাজবাড়ী থেকে আসা ছোট সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে। সেই ছোট পেঁয়াজ এখন ৯০ থেকে ৯৫ টাকা আর বড় সাইজের পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা দরে। কুষ্টিয়া-পাবনা থেকে আসা পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকা।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, পেঁয়াজের মৌসুম শেষ। ভারত থেকে আমদানিও বন্ধ। তারই সুযোগ নিয়ে কুষ্টিয়া-পাবনা, রাজবাড়ীর ব্যাপারিরা বাড়িয়েছেন পেঁয়াজের দাম।
অবশ্য ব্যাপারীদের দাবি, কৃষকের হাতে পেঁয়াজ না থাকায় মাঠপর্যায়েই দাম বেশি পড়ে যাচ্ছে। নতুন পেঁয়াজ আসতে আরও এক থেকে দেড় মাস বাকি রয়েছে। আর এই নতুন পেঁয়াজ উঠলেই স্বাভাবিক হবে বাজার।
রিপোর্ট : চ. পা/টুবন
গত তিন-চারদিন আগেও খাতুনগঞ্জে রাজবাড়ী থেকে আসা ছোট সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে। সেই ছোট পেঁয়াজ এখন ৯০ থেকে ৯৫ টাকা আর বড় সাইজের পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা দরে। কুষ্টিয়া-পাবনা থেকে আসা পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকা।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, পেঁয়াজের মৌসুম শেষ। ভারত থেকে আমদানিও বন্ধ। তারই সুযোগ নিয়ে কুষ্টিয়া-পাবনা, রাজবাড়ীর ব্যাপারিরা বাড়িয়েছেন পেঁয়াজের দাম।
অবশ্য ব্যাপারীদের দাবি, কৃষকের হাতে পেঁয়াজ না থাকায় মাঠপর্যায়েই দাম বেশি পড়ে যাচ্ছে। নতুন পেঁয়াজ আসতে আরও এক থেকে দেড় মাস বাকি রয়েছে। আর এই নতুন পেঁয়াজ উঠলেই স্বাভাবিক হবে বাজার।
রিপোর্ট : চ. পা/টুবন
